January 30, 2023, 4:47 am

#
ব্রেকিং নিউজঃ
এলাকার প্রভাবশালীদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ অসহায় একটি পরিবার।লাকসামে ৭টি বিদ্যালয়ে ইংরেজি ভার্সন উদ্বোধন এবং ইমামদের সাথে বৈঠক করলেন এলজিআরডি মন্ত্রী।কুমিল্লায় এমপি সীমার শীতবস্ত্র বিতরণ ও আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন বিষয়ক আলোচনা সভা।সাতকানিয়া সরকারি কলেজের ব্যাচ’৯৯ পুণর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত।কুমিল্লায় আর্তমানবতার সেবায় নেয়ামতউল্লাহ ফাউন্ডেশনের আত্ব প্রকাশ।ক্ষতবিক্ষত মরদেহে নির্যাতনের ছাপ স্পষ্ট! মামলা না নিয়ে উল্টো হুমকি।সাবেক এমপি জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়ার ১৮তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত।সার্ক জার্নালিস্ট ফোরাম বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সভা অনুষ্ঠিত।বরুড়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক সাংসদ অধ্যাপক নুরুল ইসলাম মিলন’র উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ।তুচ্ছ ঘটনা কে কেন্দ্র করে ৭ তম শ্রেণীর ছাত্র মাহীন কে পিটিয়ে আহত করল কারা ?

৩০০ টাকায় গরুর মাংস বিক্রি সম্ভব’

রোজার মাসের জন্য ঢাকা দক্ষিণের সিটি কর্পোরেশন গরু ও খাসির মাংসের দাম কেজি প্রতি যথাক্রমে ৫২৫ ও ৭৫০ টাকায় বেঁধে দিয়েছে। তবে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গরুর মাংস প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকায়। মাংস ব্যবসায়ীরা এর কারণ হিসেবে অতিরিক্ত খাজনা আদায়কে দায়ী করছেন। তারা বলছেন, পশুর হাটে চাদাবাজি বন্ধ হলে প্রতি কেজি মাংস ৩০০ টাকায় বিক্রি করা সম্ভব।

মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব রবিউল আলম বলেন, ‘গত তিন বছরে বাংলাদেশে মাংসের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। চাঁদাবাজরা যদি পশুর ওপর চাঁদাবাজি বন্ধ করে, তাহলে কেজি প্রতি ৩০০ টাকায়ও মাংস বিক্রি করা সম্ভব।’

‘সিটি কর্পোরেশনের আন্তরিকতার অভাবেই’ চাদাবাজি বন্ধ করা যাচ্ছে না চাঁদাবাজি বলে জানান রবিউল আলম। তিনি বলেন, ‘কর্পোরেশন চাইলে এই চাঁদাবাজি এক মিনিটে বন্ধ করতে পারে। কিন্তু যেহেতু এখানে কোটি কোটি টাকার স্বার্থ জড়িত, তাই আন্তরিকতার অভাব আর কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের কারণে চাঁদাবাজি বন্ধ করা যাচ্ছ না।’

রবিউল আলম ধারণা করছেন, চাঁদাবাজির সাথে জড়িত ইজারাদাররা সরাসরি রাজনীতির সাথে যুক্ত না হলেও তাদের সহযোগিতায় রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতাশালীরা থাকতে পারেন। গাবতলী গরুর হাট কর্তৃপক্ষের সরকারি অফিস অবৈধ দখলদারদের নিয়ন্ত্রণে থাকা মাংসের দাম বাড়ার পেছনে আরেকটি অন্যতম কারণ বলে উল্লেখ তিনি।

রবিউল আলম বলেন, ‘গাবতলী গরুর হাট ইজারা নেওয়ার শর্ত হলো, প্রতিটি গরুর সরকার নির্ধারিত খাজনা হবে ১০০ টাকা। কিন্তু এই শর্ত না মেনে ইজারাদাররা অবৈধভাবে গরু প্রতি চার বা পাঁচ হাজার টাকাও আদায় করে থাকেন।

এভাবে একটি গরু শহরের ভেতরে তিনটি হাটে স্থানান্তরিত হলেই গরুর দাম বেড়ে যায় প্রায় ১৫ হাজার টাকা। যার প্রভাব সরাসরি এসে পড়ে মাংসের দামের ওপর।’ গাবতলী হাটের নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হলে এবং সরকার কর্তৃক নির্ধারিত খাজনা আদায় বাস্তবায়িত হলে অতি সত্ত্বর মাংসের দাম কমে আসবে বলে জানান রবিউল আলম। তিনি বলেন, যদি সরকার কর্তৃক নির্ধারিত খাজনা গ্রহণের বিষয়টি বাস্তবায়ন করা হয়, তাহলে আগামীকাল থেকেই কেজি প্রতি মাংসের দাম ৭০ তেকে ৭৫ টাকা কমে আসবে। সুত্র-বিবিসি

#

     আরো পড়ুন:

পুরাতন খবরঃ

শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১