September 25, 2022, 10:51 am

#
ব্রেকিং নিউজঃ
ময়মনসিংহের নান্দাইলে স্বর্ণের দোকানে দুর্ধর্ষ ডাকাতি,ককটেল বিস্ফোরণ।কুমিল্লায় মেম্বার কল্যাণ এসোসিয়েশন সম্মেলন অনুষ্ঠিত।ঘুম ভাঙ্গে By খোরশেদ আলম চৌধুরী।শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে মসিকে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।প্রাথমিক শিক্ষায় মা-সমাবেশ By ফারজানা চৌধুরী স্বর্না।একজন সফল ফ্রিল্যান্সার সাকিব হোসেন হৃদয়।ময়মনসিংহে শারদীয় দুর্গোৎসবে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানেঃ পুলিশ সুপার।ময়মনসিংহ পাট গোদাম ব্রিজ মোড়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ।লাকসামে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত।বরুড়া মাদ্রাসা ও মসজিদে ১কোটি ২০ লক্ষ টাকার অনুদান দিলেন এস কিউ গ্রুপের চেয়ারম্যান এ জেড শফি উদ্দিন শামীম।

দেড় কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণের বারসহ রোহিঙ্গা মা-ছেলে আটক।

আরিফুর রহমান: কক্সবাজার

মিয়ানমার থেকে ইয়াবা ও আইসের পাশাপাশি স্বর্ণের বারও দেশে ঢুকছে। এসব স্বর্ণ চোরাচালানে রোহিঙ্গারাই জড়িত। ইয়াবা বিক্রির লাভের টাকা দিয়ে তাঁরা মিয়ানমার থেকে স্বর্ণের বার কিনে টেকনাফে আনছেন। পরে এখান থেকে এসব স্বর্ণের বার দেশের বিভিন্ন জায়গায় চলে যাচ্ছে।

৩০ জুলাই শনিবার সীতাকুণ্ড থানার জঙ্গল সলিমপুর এলাকা থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকা দামের আটটি স্বর্ণের বারসহ রোহিঙ্গা মা-ছেলেকে আটক করেছে র‍্যাব-৭।

আটক মা ও ছেলে হলেন মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিক জহুরা খাতুন (৬৮) ও আসমত উল্লাহ (২৪)।

র‍্যাব-৭ চট্টগ্রামের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম ইউসুফ সাংবাদিকদের বলেন, ‘গত ২৮ জুলাই কক্সবাজার জেলার টেকনাফের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ১০ কোটি টাকা মূল্যের ৩ লাখ ৫৬ হাজারটি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় দুইজনকে আটকের পর সীতাকুণ্ডে জঙ্গল সলিমপুরে এই রোহিঙ্গা মা-ছেলে স্বর্ণ ও ইয়াবা কারবারের তথ্য পায় র‍্যাব।

চট্টগ্রামের অন্যতম একটি অপরাধপ্রবণ এলাকায় এই ধরনের একটি পরিবার দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ স্বর্ণের কারবারে জড়িত বলে র‍্যাব জানতে পারে। এরা টেকনাফ থেকে স্বর্ণের বারগুলো এখানে এনে চট্টগ্রাম ও ঢাকার বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের কাছে সরবরাহ করে।’

র‍্যাব-৭-এর অধিনায়ক বলেন, আটক মা-ছেলে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা নাগরিক। ২০১২ সালে তাঁরা বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। আসমত উল্লাহ ২০১৪ সালের জুন পর্যন্ত কক্সবাজারের ঈদগাহে অবস্থান করেন। ২০১৪ সালে এজেন্সির মাধ্যমে তাঁর এলাকার চাচা আব্দুস সালাম তাঁকে পাসপোর্ট করে ভিসা দিয়ে সৌদি আরবে নিয়ে যান। সৌদি আরবে ২০১৪ থেকে ২০২০ সালের আগস্ট পর্যন্ত থাকেন। ২০২০ সালে অবৈধভাবে অবস্থান করায় পুলিশ আটক করে তাঁকে বাংলাদেশে পাঠানো হয়।

বাংলাদেশে আসার পর ২০২০ সালের ডিসেম্বরে বিয়ে করে ঈদগাহ থেকে। পরে স্ত্রী, মাসহ জঙ্গল সলিমপুরে চলে আসেন বলে তাঁরা জিজ্ঞাসাবাদে জানান। এখানে এসেই মূলত আসমত উল্লাহ স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। এই কারবার আড়াল করার জন্য সলিমপুরে একটি বাসা ভাড়া করে একটি মাদ্রাসার মতো করে এলাকার ছেলেমেয়েদের পড়াতেন।

র‍্যাবের অধিনায়ক বলেন, ‘শনিবার তাদের বাসায় অভিযান চালিয়ে স্বর্ণের বারগুলো উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের বারগুলোর মূল্য আনুমানিক দেড় কোটি টাকা। আসামি আসমতউল্লাহ আমাদের জানিয়েছে, তিনি দুই বছর ধরে এই কারবারের সঙ্গে জড়িত। এর আগে কক্সবাজার থেকে এই কারবার পরিচালনা করতেন। বর্তমানে জঙ্গল সলিমপুর থেকে কারবার করছেন। এর সঙ্গে জড়িত আরও কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

#

     আরো পড়ুন:

পুরাতন খবরঃ

শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০