May 17, 2022, 3:48 am

#
ব্রেকিং নিউজঃ
মেয়র যে-ই হোক না কেন, তাকে যেন সবাই সহযোগিতা করে- বিদায় মেয়র সাক্কু।রাঙ্গাবালীতে বন থেকে এক যুবকের লাশ উদ্ধার।চন্দ্রঘোনা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন বিপ্লব মারমা।ময়মনসিংহে অবৈধ করাতকলে চলছে গাছ কর্তন।নিউইয়র্কের বাফেলো শহরে একটি সুপার মার্কেটে গুলিতে অন্তত ১০ জন নিহত।চৌদ্দগ্রামে টর্নেডোর আঘাতে মসজিদ-মাদরাসাসহ বাড়ীঘর লন্ডভন্ড।কাজিরবেড় ইউনিয়নে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত।কানাইঘাটে বন্যার অবনতি- লক্ষাধিক মানুষ পনিবন্দি।জাভা প্রোগ্রামিংয়ে বাংলাদেশি হিসেবে প্রথম চ্যাম্পিয়ন বকশীগঞ্জের রোকন।আসামির দায়ের কোপে পুলিশ কনস্টেবলের হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন।

চট্টগ্রামের দৃষ্টিনন্দন জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ।

ভ্রাম‍্যমান প্রতিনিধি :
বাংলাদেশের অগণিত নয়নাভিরাম মসজিদের মধ্যে চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ জামে মসজিদ অন্যতম। অবয়বজুড়ে ইসলামিক অনন্য স্থাপত্য। মসজিদের ভেতরে অগণিত খিলান। দৃষ্টিনন্দন খিলানগুলো একেবারে জ্যামিতিক সূত্র মেনে তৈরি। পুরো অবয়বজুড়ে আছে ইসলামিক নকশার ছাপ। যা দেখলে জুড়ে যায় দুই চোখ। নির্মাণ স্থাপত্যে স্পষ্ট মুনশিয়ানা। দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদটি চট্টগ্রাম নগরের প্রাণকেন্দ্র ওয়াসা মোড়ে অবস্থিত।
বলা হয়, বাংলাদেশের বড় মসজিদের তালিকার শীর্ষে চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ বা বিশ্ব মসজিদ। এটি দেশের অন্যতম দ্বিতীয় বৃহত্তম ঐতিহাসিক মসজিদ। এটি কেবল দৃষ্টিনন্দন মসজিদই নয়, ইসলামী কমপ্লেক্সও। এখানে আছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত বিশাল লাইব্রেরি। পাঁচতলা মসজিদ প্লাজা ও কমপ্লেক্স মিলে ৩০ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন।
মসজিদটির মূল ভবনের সামনে আছে বিশাল মাঠ। এখানে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হয় ঈদুল ফিতর এবং ঈদুুল আজহার প্রধান জামাত। প্রতি ঈদ জামাতে এখানে অন্তত ৫০ হাজার মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। চট্টগ্রামের সব রাজনীতিক, মন্ত্রী-এমপি এবং প্রশাসনের শীর্ষস্থানীয় সব কর্মকর্তা এ মসজিদে ঈদ জামাত আদায় করেন। ঈদ জামাত পরিণত হয় সামাজিক ও রাজনৈতিক মিলনমেলায়। মসজিদ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জানাজা।
জানা যায়, ১৯৭৬ সালে সেনা ভূসম্পত্তির ১২ একর জায়গা কর্তৃপক্ষ মসজিদের অনুকূলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত দিলে সেখানে জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদ নির্মাণ করা হয়। এরপর ২০০৪ সালের ১৯ এপ্রিল কমপ্লেক্সের সম্প্রসারিত প্রকল্প উদ্বোধন করা হয়। পরবর্তী ২০১৩ সালে জাতীয় সংসদে ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন বিল-২০১৩’ পাসের মাধ্যমে এ মসজিদ ও কমপ্লেক্স ব্যবস্থাপনা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আওতায় আনা হয়। এরপর থেকে মসজিদটি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানেই চলছে।
সুপরিসর সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হয় মসজিদে।। নিচতলায় অজুখানা। তার পাশেই নামাজ পড়ার বিশাল জায়গা। শুভ্র পিলারগুলোর পাশে নান্দনিক আকারে সাজিয়ে রাখা হয়েছে জুতোদানি। আলো-বাতাসের চলাচলে এক ধরনের শীতলতা বিরাজ করে ভেতরে।
তবে শুক্রবার ছাড়া অন্য সময় নিচতলায় মুসুল্লিদের দেখা যায় না। দ্বিতীয় তলায় ইমামের মিম্বর। সেখানেই চলে যান মুসুল্লিরা। তৃতীয় ও চতুর্থ তলাও শুক্রবার ছাড়া বলতে গেলে খালি থাকে। একেক তলায় ৫ থেকে ৬ হাজার মুসুল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। শুক্রবার নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে এখানে নামাজ পড়তে আসেন মুসল্লিরা। ওই দিন কানায় কানায় ভরা থাকে মসজিদটি।

#

     আরো পড়ুন:

পুরাতন খবরঃ

শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১