December 4, 2022, 6:36 pm

#
ব্রেকিং নিউজঃ
বরুড়ায় চাঁদা না দেয়ায় সৌদি প্রবাসীকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা! আশংকাজনক অবস্থায় কুমেকে ভর্তি।নিউ মিলিনিয়াম স্টুডেন্টস কিন্ডার গার্টেন অ্যাসোসিয়েশন বড় হরিপুর, বরুড়া, কুমিল্লা বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত।মুসলিম হেলফেনর ও সোশ্যাল এইড এর উদ্যোগে হতদরিদ্র ৬০০ পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন।সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে প্রতিবন্ধী দিবসে প্রচেষ্টার র‌্যালী।ফুটবল যুদ্ধে ইরানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে যুক্তরাষ্ট্র।খালেদ বিন ওয়ালিদ আলবি ফুল ব্রাইট স্কলার্শীপে ইউনিভার্সিটি অব আরিজোনায় পড়বে।চৌদ্দগ্রামে ব্যাটমিন্টন খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ১ কিশোর নিহত।চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর নির্বাচনের প্রথম বর্ষপূতি উপলক্ষে জনসভা।লক্ষ্মীপুরে নিসচা ‘র প্রতিষ্ঠাবার্ষীকী পালিত ও উপহার বিতরণ।মহেশপুর শ্যামকুড়ে আন্তঃ সীমান্ত মানব পাচার প্রতিরোধ বিষয়ক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

কুমিল্লায় রূপবতী স্ত্রী’র প্রতারণায় দিশেহারা প্রবাসী ইকবাল

কুমিল্লায় রূপবতী স্ত্রী’র প্রতারণায় দিশেহারা প্রবাসী ইকবাল

নিজস্ব প্রতিবেদক ।।
কুমিল্লা বরুড়ার খোশবাস ইউনিয়ন এলাকার আরিফপুর গ্রামের আয়েত আলীর ছেলে ইকবাল হোসেন প্রতিবেশী মোবারক হোসেনের মেয়ে লিমার সাথে স্কুল জীবন থেকেই দুজনের ভালোলাগা থেকে ভালোবাসার সম্পর্ক। প্রেম প্রনয় ভালোবাসার কমতি ছিলোনা দুজনের মাঝে। দুজনের অগাধ ভালোবাসা ও সম্পর্কের প্রায় ৬ বছরের মাথায় সিদ্ধান্ত নেয় ঘর বাঁধার। ইকবালের পরিবারের অমত বাঁধ সাধে দুজনের সে স্বপ্ন পুরনে। পরে দুজনেই সিদ্ধান্ত নেয় কোর্ট ম্যারেজের। যেমন ভাবনা তেমনি কাজ, অবশেষে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরের ১১ তারিখ কুমিল্লা আদালতে এডভোকেট সিদ্দিকুর রহমানের চেম্বার নোটারি পাবলিকের ষ্টাম্প পেপারে স্বাক্ষরের মাধ্যমে বিবাহ সম্পন্ন করে। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের জানুয়ারী মাসে স্থানীয় কাজী অফিসের দপ্তরে ১০ লক্ষ কাবিনে ৫ লক্ষ টাকা উসুলে বিবাহের রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করে। প্রথমে পরিবারের লোকজন বিষয়টি না জানলেও পরবর্তীতে উভয়ের পরিবারই বিয়ের বিষয়টি আস্তে আস্তে বুঝতে পারে। লিমার স্বামী ইকবাল জানায়, বিয়ের পর দুজনে একান্তে মিলিতও হয়েছে বহুবার। স্বামী স্ত্রী একজন আরেক জনকে এক বেলা না দেখলেই উতলা হয়ে উঠতো। শত বাঁধা বিপত্তিতেও একজন আরেক জনকে ছেড়া না যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ও শপথ ছিলো দুজনের মাঝেই। ছিলো একে অপরের প্রতি অফুরন্ত প্রেম। জীবনের শেষ নিঃস্বাস পর্যন্ত একজন আরেক জনের ওয়াদা করেই বিয়ে করেছিলো।

এরপর বড়ভাই ও পিতামাতার আবদারে ইকবাল নিজের ভবিষ্যৎ সুখের আসায় পাড়ি জমায় প্রবাসে। সৌদি প্রবাসে নিজ উপার্জনের বেশীর ভাগ টাকাই পাঠিয়েছে লিমার কাছে। প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে যখনি স্ত্রী লিমা ফোন করে টাকা চেয়েছে কখনো নিষেধ করেনি। লোক মারফত কিংবা লিমার বড় বোনের বিকাশ নাম্বারে (0182**22299) গত দুবছরে প্রায়ই টাকা পাঠাতো ইকবাল। যাতে করে নিজের সকল চাহিদা পুরনে কোন ব্যাঘাত না ঘটে লিমার। নতুন বাড়ি করে দেশে এসে পারিবারকে রাজি করিয়ে স্ত্রী কে ঘরে তোলার সব আয়োজন ঠিক করে রেখেছিলো ইকবাল।

নিয়তি তার সুখের স্বপ্ন পুড়িয়ে ছাই করে করে দেয় গত তিন মাস আগে।
স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যায় প্রবাসী ইকবালের, লিমা এখন তার জীবনে কবলই স্মৃতি। ওয়াদা, ভালোবাসা আর সম্পর্কের কবর রচনা করে লিমা এখন অন্য কারো ঘরনি। কাবিন রেজিষ্ট্রেশন, বিয়ে, প্রেম সব ভুয়া দাবী করে লিমার পরিবার বিয়ে দিয়ে লিমাকে।
এলাকার বন্ধুদের বরাত দিয়ে সৌদি প্রবাসী ইকবাল জানতে পারে লিমার অন্যত্র বিয়ে দিয়ে দিয়েছে পরিবার। এসব শোনার পর হঠাৎ উন্মাদ বনে যায় ইকবাল, লিমার ফোন বারবার চেষ্টা করেও আর পাওয়া যায় না তাকে। এলাকার চেয়ারম্যান মেম্বার সহ স্থানীয় মুরুব্বিদের ফোন করে জানায় বিস্তারিত। তবে এখন আর ওসব বলে লাভ কি৷ লিমা তখন এলাকায় নেই স্বামী আরিফুলের সাথে গৌরিপুরে সুখের সংসারে মত্ত।

লিমার বড় বোন যিনি আগে থেকে সবই জানতেন। তাই তার সাথে ফোন করে জানতে চায় ইকবাল। তবে এতে করে আরো বিপাকে পরতে হয় তাকে। এসব বিষয় নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে ইকবাল সহ তার পরিবারের লোকজনকে আসামী করে নারী নির্যাতন সহ ধর্ষণের মামলা করার হুমকি দেয় ইকবাল কে। দিশেহারা প্রবাসী ইকবাল অর্থ, প্রেম, স্ত্রী সব হারিয়ে মনমরা হয়ে আল্লার দরবারে বিচার চাওয়া ছাড়া আর কোন উপায় খুঁজে পায় না।

মন থেকেই ভালোবসতো লিমাকে তাই কষ্টটা তার জীবনকে বিষেয়ে তুলেছে। তবুও ভালোবাসার মানুষটা সুখে থাকুক এটাই তার চাওয়া। এখন ইকবাল চায় তালাক, কেননা ধোকা দিয়ে অন্যের সংসারে চলে যাওয়া লিমাকে তার অভিভাবকরা কখনোই মেনে নেবে না আর। আইনত এখনো লিমা তার স্ত্রী আর এ অবস্থায় সে একই সাথে একটি মেয়ের দুজন স্বামী বিদ্যমান থাকা বাংলাদেশের রীতিতে বড়ই বেমানান।

তাই ইকবালের দাবী, তালাক দেয়া ব্যাতিত অন্যের ঘর করলে সেটা নিজের জন্য ও লজ্জাজনক। টাকা পয়সা যা দিয়েছে তা এখন অস্বীকার করছে লিমা ও তার পরিবার। লিমার পরিবারের লোকজনের হুমকি ধমকিতে পরিবারের সামাজিক সম্মান ও মর্যাদার কথা চিন্তা করে ইকবাল প্রবাসে বসে চোখের পানি আর যন্ত্রণাকে আপন করে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছে।

এসব বিষয়ে জানতে লিমার বড় বোনের নাম্বারে ফোন দিলে তিনি বলেন, ইকবাল কে চেনেন। ইকবাল তাদের প্রতিবেশী। কোর্টে বিয়ে, কাবিন সবই ভূয়া। তারা এসব বিষয়ে কিছুই জানেন না। তার বিকাশ নাম্বারে মাসে মাসে লিমার জন্য টাকা পাঠানোর বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, লিমার জন্য নয় ইকবাল তার পরিবারের জন্য টাকা পাঠাতো। এলাকায় এসব নিয়ে স্থানীয় মুরুব্বি, মেম্বার ও ইউপি চেয়ারম্যান নাজমুল সাহেব বেশ কয়েকবার বসেছেন। লিমার বড় বোন আরো বলেন ‘ ইকবালের যদি কোন অভিযোগ থাকলে তাকে ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন, আমরা ইকবালের সাথে সরাসরি বুঝবো । তার নামে আমরা আগেই মামলা করতে চেয়েছিলা’।

#

     আরো পড়ুন:

পুরাতন খবরঃ

শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১