November 28, 2022, 6:55 pm

#
ব্রেকিং নিউজঃ
কাজীরবেড় গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মফিজ মেম্বরের নেতৃত্বে জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ।অপতৎপরতার বিরুদ্ধে প্রয়োজনে কঠোর ব্যবস্থা -তথ্যমন্ত্রী।মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সরন সভা করেছে নিউইয়র্কে ভাসানী ফাউন্ডেশন।জয় হোক মরহুম আবুল হাশেম ভূঁইয়া’র ! শোকসভায় বক্তৃতার যবনিকায় ভাইস চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ ভূঁইয়া।এফবিজেও’র সম্মাননা পদক পেলেন লায়ন এ জেড এম মাইনুল ইসলাম।এফবিজেও’র বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত।ভারত থেকে স্বর্ণপদক অর্জন করলো শ্রীমঙ্গলের আবেদ আহমেদ।ঐতিহ্যবাহী ঘোড়া দৌড় দেখতে আম বাগানে হাজারো মানুষের ঢল।চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমদানী ও রপ্তানী ব্যবসা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা।কুমিল্লা ইয়ামিন সুমনের আবারও বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার, গ্রেফতার-১

ঐতিহ্যবাহী বাগাটের মিষ্টি বলে প্রতারনা করছে মিষ্টি ব্যবসায়ীরা।

ঐতিহ্যবাহী বাগাটের মিষ্টি বলে প্রতারনা করছে মিষ্টি ব্যবসায়ীরা।

ফরিদপুর থেকে ঘুরে তাওহীদুল ইসলাম :

ফরিদপুর জেলা শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন বাজারে গড়ে উঠেছে বাগাট নাম দিয়ে বিভিন্ন মিষ্টির দোকান। এসব দোকানের আধুনিক ডেকোরেশন, এসি ব্যবস্থা আর সোকেসে সাজানো বাহারী রঙ্গের মিষ্টি সহসাই ক্রেতার নজর কাড়ে। কেউকি একবারও ভেবে দেখেছেন এসব মিষ্টি কি দিয়ে তৈরী করা হচ্ছে ? এবং কোথায় তৈরী করা হচ্ছে ? কি পরিবেশে তৈরী করা হচ্ছে ? কারাই বা কারিগড় ? তাদের হেল্থ ফিটনেস কি রকম ? খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রনে প্রশাসনের কতটুকু অনুমোদন রয়েছে ?
সরেজ মিনে গিয়ে দেখা গেল সেই কারখানার অজানা রহস্য।নিম্নমানের ওয়েষ্টেজ ময়দা, পঁচাতৈল, এবং চিনিসহ বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল জাতীয় দ্রব্য যা মানব দেহের জন্য ক্ষতিকারক যেমন রং ছেকারিন হাইড্রোজ নামক সোডা ব্যবহার করা হচ্ছে এসব মিষ্টিতে। বাগাট থেকে ফরিদপুর শহরে কোনো মিষ্টি আসে না। ফরিদপুর জেলাশহরের আনাচে কানাচে গড়ে উঠেছে এসব মিষ্টি তৈরীর কারখানা। সেখানে নোংরা পরিবেশেই তৈরী করা হচ্ছে ভেজাল মিষ্টি। যারা মিষ্টি তৈরীর কারিগড় তাদের কারোরই লেবার বডি ফিটনেস সার্টিফিকেট নাই। আবার জানাযায়, বি এস টি আইয়ের কোনো সদন নাই। যে খানে কারখানা তৈরী করেছে সেখানের কোনো পরিবেশ ছাড়পত্র নাই। তাহলে কিভাবে এত অনিময় করে মিষ্টি তৈরী করছে। এসব তৈরী মিষ্টিতে মান কতটুকু স্বাস্থ্যসম্মত ? সচেতন মহলের এমন নানান প্রশ্ন নিয়েই সাংবাদিকদের অনুসন্ধানী সংবাদ করার চেষ্টা।
ফরিদপুর শহরের শোভারামপুর রয়েছে বাগাট ঘোষ মিষ্টান্ন ভান্ডার এর মিষ্টি তৈরীর কারখানা। সেখানে ভেজাল দিয়ে তৈরী করছে মিষ্টি। সেখানে লাচ্চি সেমাইও তৈরী করা হচ্ছে। ভারত থেকে মেয়াউত্তীর্ন আমুল গুড়া দুধ ও গার্মেন্টের রঙ্গ দিয়ে মিষ্টি তৈরী করা হয়। যারা কারিগড় হিসেবে কাজ করছে তাদের সিভিল সার্জন অফিসের কোনো মেডিকেল সার্টিফিকেট নেই।বাসাবাড়ির মধ্যেই বড় আগুনের চুল্লি ব্যবহার করছে নেই অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা এবং ফায়ার সার্ভিস লাইসেন্স। আর পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো অনুমোদনও নেই। একই ভাবে ফরিদপুর শহরের বাইদ্যা ব্রিজ এলাকায় কারখানা গড়ে তুলেছেন বাগাট মৌবন নামে একটি মিষ্টির দোকানের। সেখানেও কোনো বৈধ কাগজ পত্র নেই। ফরিদপুর জেলার কয়েকজন সাংবাদিক তাদের এসব অবৈধ কাজে সহযোগীতা করে বলে সরেজমিনে গিয়ে কারখানা মালিকদের কাছে থেকে জানা যায়।
সংবাদের আরো তথ্য অনুসন্ধানে সরেজমিনে যাওয়া হয় ফরিদপুর জেলার মধুখালী থানার মধুখালী উপজেলার বাগাট বাজারে “বাগাট কৃষ্ণ দধি ঘর” নামে ওই এলাকার শ্রী নিতাই চন্দ্র ঘোষ ওই বাগাট বাজারে দীর্ঘ দিন যাবৎ অস্বাস্থ্যকর নোংরা পরিবেশে তৈরী হচ্ছে নিম্ন মানের মিষ্টিসহ বিভিন্ন খাদ্য দ্রব্য। এতে ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্নমানের ওয়েষ্টেজ ময়দা, পঁচাতৈল, এবং চিনিসহ বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল জাতীয় দ্রব্য যা মানব দেহের জন্য ক্ষতিকারক যেমন রং ছেকারিন হাইড্রোজ নামক সোডা পরিমানের চেয়ে অধিক মাত্রায় ব্যাবহার করা হচ্ছে। সকল খাদ্যদ্রব্য হাতে হ্যান্ডগ্লাবস ছাড়াই তৈরী বাড়ীর মধ্যে ফ্লরে পাটি বিছিয়ে। যার আশে পাশে ময়লা আর্বজনা ধুলো বালি খাদ্যের মধ্যে পড়ে আছে মশা মাছি এবং সকল মিষ্টি তৈরী করে ঢাকনা বিহীন রাখা রয়েছে।
এ সকল খাদ্য অস্বাস্থ্যকর নোংরা পরিবেশের তৈরিতে মানা হচ্ছেনা পরিবেশ পরিছন্নতা। এরা বিএসটিআই অনুমদোন ছাড়াই খাদ্য তৈরী করে ফরিদপুর, মধুখালীসহ বিভিন্ন এলাকায় পাইকারী ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। এ বিষয়টি জানার জন্য কারখানার মালিক শ্রী নিতাই চন্দ্র ঘোষের সাথে কথা বললে তিনি জানান আমরা কাগজপত্র ছাড়াই এসকল খাদ্য দ্রব্য তৈরী করে থাকি এবং দীর্ঘ দিন যাবৎ বাজার জাত করে আসছি। কিন্তু কেউ আমাদেরকে কোন দিন কিছু বলে নাই, তবে মধুখালী থেকে কিছু দিন পূর্বে একটি ট্রেড লাইসেন্স করে ব্যাবসা করে আসছি। তিনি আরও জানান এ সকল খাদ্য তৈরিতে কি কি কাগজপত্র ব্যবহার করতে হয় তা আমাদের জানা নেই।
এ ব্যাপারে স্থানীয় চেয়ারম্যান বলেন আমি কয়েক বার এদের নোংরা পরিবেশে এ খাবার গুলো তৈরি করতে নিষেধ করা হলেও এরা কাউকে তোয়াক্কা করছেনা। খাবার গুলো নোংরা পরিবেশে তৈরি করছে যা মানবদেহের জন্য খুবই হুমকিস্বরূপ। মধুখালী থানার ওসির কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান আসলে এ ধরনের কারখানা রয়েছে বিষয়টি আমার জানা নেই।

#

     আরো পড়ুন:

পুরাতন খবরঃ

শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০