December 4, 2022, 7:41 pm

#
ব্রেকিং নিউজঃ
বরুড়ায় চাঁদা না দেয়ায় সৌদি প্রবাসীকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা! আশংকাজনক অবস্থায় কুমেকে ভর্তি।নিউ মিলিনিয়াম স্টুডেন্টস কিন্ডার গার্টেন অ্যাসোসিয়েশন বড় হরিপুর, বরুড়া, কুমিল্লা বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত।মুসলিম হেলফেনর ও সোশ্যাল এইড এর উদ্যোগে হতদরিদ্র ৬০০ পরিবারের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন।সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে প্রতিবন্ধী দিবসে প্রচেষ্টার র‌্যালী।ফুটবল যুদ্ধে ইরানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে যুক্তরাষ্ট্র।খালেদ বিন ওয়ালিদ আলবি ফুল ব্রাইট স্কলার্শীপে ইউনিভার্সিটি অব আরিজোনায় পড়বে।চৌদ্দগ্রামে ব্যাটমিন্টন খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ১ কিশোর নিহত।চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর নির্বাচনের প্রথম বর্ষপূতি উপলক্ষে জনসভা।লক্ষ্মীপুরে নিসচা ‘র প্রতিষ্ঠাবার্ষীকী পালিত ও উপহার বিতরণ।মহেশপুর শ্যামকুড়ে আন্তঃ সীমান্ত মানব পাচার প্রতিরোধ বিষয়ক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

আবাসিক হোটেলগুলোতে দেহব্যবসার শেল্টারে রয়েছে ক্ষমতাশালী প্রতিনিধি

আবাসিক হোটেলগুলোতে দেহব্যবসার শেল্টারে রয়েছে ক্ষমতাশালী প্রতিনিধি

সমাজে শহর ও গ্রাম সব খানেই আবাসিক হোটেলে অবাধে চলছে দেহ ব্যবসা। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার অলিতে গলিতে হাজার হাজার আবাসিক হোটেল রয়েছে। এসব আবাসিক হোটেলের বেশীর ভাগ হোটেলেই চলছে দেহ ব্যবসা। সরেজমিনে ঢাকার অনেক এলাকায় গেলে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়।
ঢাকার বেশীর ভাগ আবাসিক হোটেলগুলোর আয়ের সবচেয়ে বড় মাধ্যম হচ্ছে নারীর দেহ ব্যবসা।একবাক্যে হোটেলগুলোকে বলা যায় মিনি পতীতালয়। এসব হোটেলের বিষয়ে খোজখবর নিতে গিয়েও সাংবাদিকদের দেওয়া হচ্ছে হুমকী ধামকী। হোটেল কর্তৃপক্ষ অনেকেই হুঙ্কার দিয়ে জানান প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই এসব ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে। জানাযায় দেহ ব্যবসার জন্য প্রতিমাসে মাশোহারার তালিকায় রয়েছে স্থানীয় থানার ওসি থেকে শুরু করে দারোগা । আরও রয়েছে নামধারী সাংবাদিক, স্থানীয় নেতা ও তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। ঢাকার মধ্যে সবচেয়ে বেশী দেহ ব্যবসার প্রসার ঘটেছে গাবতলী, মিরপুর, মতিঝিল,ফার্মগেইট, মোহাম্মদপুর, গুলিস্থান, পল্টন, পুরান ঢাকার আবাসিক হোটেল উল্ল্যেখযোগ্য।
সরেজমিনে ঢাকার মিরপুর এলাকার গাবতলী বাঘবাড়ী আবাসিক হোটেল মধুমতি, হোটেল চৌধুরী, হোটেল বলাকা, হোটেল রোজ হ্যাভেন , মীরপুর ১০ নাম্বার কাজী পাড়ায় হোটেল জমজম এর আবাসিক বোর্ডারের বিষয়ে তদন্তে গেলে দেখা যায় হোটেলের ৩য় তালা থেকে ৫ম তালা পর্যন্ত প্রতিটি রুমে বিভিন্ন সাজে মেয়েরা খদ্দেরের অপেক্ষায় রয়েছে। এখানে দুই শিফটে মেয়েরা দেহ ব্যাবসা করছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কাষ্টমার আসছে আবার রাতে এখানে মেয়ে নিয়ে রাত্রি যাপনের জন্য রয়েছে নিরাপদ ব্যবস্থা। এসব অবৈধ কারবারিদের সাথে সখ্যতা রয়েছে প্রশাসনের কর্মকর্তা, সাংবাদিক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সন্ত্রাসীদের। ফলে এসব পতীতাব্যবসার বিষয়ে কেউ কোনো প্রশ্ন তোলে না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হোটেলের কয়েকজন কর্মচারী জানালেন এসব হোটেলে শুধু দেহ ব্যবসাই নয় পাশাপাশি মাদক বেচাকেনা, জুয়া খেলা, সন্ত্রাসীদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে রফাদফার মত কাজও চলছে। আরও জানাযায় এসব হোটেলে জালটাকা বিনিময়, নারী পাচার, অস্ত্র বেচাকেনারমত কারবারও চলছে।
এ বিষয়ে আরো জানাযায় স্থানীয় দারুসসালাম থানার ওসি প্রতি মাসে এসব হোটেল থেকে মোটা অংকের টাকা মাশোহারা নেয়।
আবাসিক হোটেলের দেহ ব্যবসা এবং মাদক বিক্রির মত ঘটনা সম্পর্কে দারুসসালাম থানার ওসি আসলাম উদ্দিনের সাথে কথা বললে তিনি সাংবাদিকদের জানান, কেউ অভিযোগ দিলে আমি ব্যবস্থা নেই। ব্যস্ত নগরীতে এসব কারবার স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা থাকে।

#

     আরো পড়ুন:

পুরাতন খবরঃ

শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১