August 13, 2020, 3:20 am

#
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরগঞ্জ আমতলী গ্রামের শাশুড়ী মিথ্যা অভিযোগ লাকসামে শাশুড়ীর মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদ জানালেন ভুক্তভোগী জামাতা।লাকসামে র‍্যাবের অভিযানে ভুয়া ডাক্তার কে মোবাইল কোটে সাজা ও ১টি প্রতিষ্ঠান সীলগালা.মাহবুব কবির মিলনকে ওএসডি করা আর সৎ কর্মকর্তাদের ’অশনি সংকেত’ দেখানো এককথা.লাকসামে কিশোরী মেয়ে কে ধর্ষনের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ করায় পরিবারের উপর হামলা.টেকনাফে সাংবাদিক মোস্তাফার চোখে মরিচের গুঁড়া দিয়ে নির্যাতন করেন ওসি প্রদীপ কুমার দাস!!পটুয়াখালীতে শ্রীশ্রী হরি-গুরুচাঁদ মন্দিরে মাসিক শান্তি সেবা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত.শিবগঞ্জে উপজেলা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক জিয়াউল হকনাসিরনগরে হতদরিদ্রের মাঝে রিং স্লাব বিতরণপটুয়াখালীতে পান চাষীরা হতাশায় দিন কাটাচ্ছে।নানান অপকর্মের দায়ে দৈনিক মানবধিকার ক্রাইম বার্তা থেকে প্রতিনিধি বরখাস্ত।।

লালমাই পেরুল দক্ষিণে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ,সত্যকে মিথ্যা বানানোর পাঁয়তারা স্বয়ং ইউপি সদস্য মোবারক!

লালমাই পেরুল দক্ষিণে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ,সত্যকে মিথ্যা বানানোর পাঁয়তারা স্বয়ং ইউপি সদস্য মোবারক!

এম এ কাদের অপুঃ

নিজের টাকায় জমিন কিনে, সমস্ত কাগজপত্র যেমন, সি এস, আরএস, বিএস এবং খারিজ খতিয়ান থাকার পরেও মিথ্যা ভাবে থানায় অভিযোগ করে একটি পরিবারকে তছনছ করার চেষ্টা করেও কোন ফলাফল না পেয়ে নিজের হাতের কুনইর উপরে নিজেরই হাতে নিজে তারই জামাতার দোকানের দুধেরপট কাটার ছুরি দিয়ে আঘাত করে ২/৩ টি রগ কেটে ফেলে মোশারফ নামক এক ব্যক্তি। নিজে নিজেই হাত কাটার অপরাধে আরেকটি পরিবারকে সামান্য জমিনের জন্য মিথ্যা ভাবে থানায় অভিযোগ দিয়ে হয়রানী করছেন সেই মোশারফ হোসেন। আর তাকে টাকার পয়সার বিনিময়ে সহযোগীতা করার নাম করন করে বাংলাদেশ সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার পাঁয়তারা করছেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মোবারক হোসেন।

ঘটনাটি, কুমিল্লা জেলার লালমাই উপজেলার পেরুল দক্ষিণ ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড খুলিলপুর গ্রামে। হিন্দু পরিবার রতন সাহার ছেলে মাতার উপস্থিতি ও অনুমতিতে জায়গাটি টাকার বিনিময়ে বিক্রি করার ঘোষনা করলে, একই গ্রামের সিদ্দিক উল্লাহ্‌র ছেলে মোশারফ হোসেন খরিদ করার উদ্দেশ্যে বায়নাপত্র করেন। বায়নাপত্রের সময় অনুযায়ী মূল্য পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়ে পূনরায় বায়না কৃত টাকা ফেরত নেন মোশারফ।

মোশারফের টাকা ফেরত নেওয়ার পর, একই গ্রামের নোয়াব আলীর ছেলে মনির হোসেন, খলিলপুর মৌজার সাবেক দাগ নং ২০, হালে ৩১ এর ২৪শতক জায়গা খরিদ করেন।

লোভে পাপ, পাপে মৃত।

কথাটি এমনই দেখা গেলো মোশারফের বেলায়। মোশারফ সময় মত মূল্য পরিশোধ করতে না পেরে জায়গাটি হাত ছাড়া হয়ে যাওয়ার ভয়ে খরিদ কৃত জায়গার নতুন মালিক মনির হোসেন কে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিয়ে আসছে, যাতে করে মনির জায়গাটি ক্রয় করতে অপারগতা স্বীকার করে। তাই, মোশারফ খুঁজে নিলো বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান আইনকে।

মোশারফ জানতেন, যে কোন মানুষের আস্থার ঠিকানা জেলা কোর্ট, তাই মোশারফ ভাবছিলো কোর্টেও বুঝি তার মত কোন বেক্কল আছে। এই জন্যই গ্রাম্য সালিশ, ইউনিয়ন বোর্ড অফিসের সালিশ, গ্রাম্য সর্দার, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কে কোন প্রকার তোয়াক্কা না করেই মিথ্যা মামলা করেন মনির হোসেনের বিরুদ্ধে। কেনো? কি দোষ এই মনিরের?

স্বাধীন দেশের স্বাধীন নাগরিক হয়ে জায়গা জমিন কিনা তার অধিকার থাকা সত্ত্বেও পেরুল দক্ষিণ ইউনিয়ন ১ নং ওয়ার্ড মেম্বার মোবারক হোসেনের উসকানিতে মোশারফ হোসেন একের পর এক মিথ্যা নাটকের জন্ম দিয়ে কি লাভ হচ্ছে তার? যে কিনা, এখনো পর্যন্ত খারিজ করতে পারেনাই অথচ কুমিল্লার আদালতে ১১৮/১৮ নং মামলা করেও মামরায় রায় যখন মনির হোসেনের পক্ষে চলে আসে, তখন আরো পাগল হয়ে যায় এই মোশারফ।

৪৫ বছরের এই মোশারফ তখন নিরুপায় হয়ে আবারোও চেয়ারম্যানের দরবারে হাজির হয়ে বিড়ালের মত মুখটি করে মনির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে। চেয়ারম্যান এজিএম শফিকুর রহমান তার আদালতে ন্যায় বিচারের লক্ষে যখন দেখলো মোশারফ বেআইনি ভাবে মনির হোসেন কে হয়রানী করছে, তখন তার আইন অনুযায়ী মনির হোসেনের পক্ষেই রায় দেন।
এজিএম শফিকুর রহমান জানান, আমি অনেকবার চেষ্টা করেছি, কোন ভাবেই মোশারফকে মানাইতে পারিনাই, এখন শুনি আবারো নতুন কাহিনী। দেখি শেষ পর্যন্ত কি হয়, আমার ওইখানকার ওয়ার্ড মেম্বার মোবারক সাহেব আছেন, তিনি দেখা শুনা করবেন, আমার কাছে আসলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবো।
এই দিকে ওয়ার্ড মেম্বার মোবারক বলেন, এই মারামারি, ঝগড়াঝাটি, এই সব সমস্যার মূল নায়ক এই চেয়ারম্যান শফিক, তার কারনেই এমনটি হচ্ছে।

~~এসব কথা রেকর্ড ধারন করা আছে~~

ঘটনাস্থলে উপস্থিত অনেকেই জানান যে, মোশারফ নিজেই মনিরের সাথে তর্ক বিতর্ক এর মাঝে, হঠাত তার জামাতার দোকানের চায়ের দুধের পট কাটা ছরিটি ডান হাতে নিয়ে বাম হাতের কুনইর উপরে পোঁছ মেরে নিজেকে আঘাত করতে করতে ৩টি রগ কেটে ফেলে, নতুন নাটকের জন্ম দিচ্ছে। আর এই নাটকের মূল পরিচালক হচ্ছে স্বয়ং মেম্বার মোবারক হোসেন।

তাজা মাছটি তেলে খেতে যেমন ভারি মজা ঠিক তেমনই মজা পেয়েছে মোশারফের মাঝে মোবারক। তা না হলে, কেনো একজন মেম্বার হয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল (লোটাস) কামালের নির্বাচিত এলাকার একজন মেম্বার হয়ে কি করে পারলো একটা ফ্যামিলিকে দেউলিয়া বানিয়ে আরেকজনকে রাস্তায় রাস্তায় হাসপাতালের নাম করে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মজা নেওয়ার মত স্পর্ধা?

সামান্য টাকার কাছে নিজের বিবেক, বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আদেশ অমান্য করে, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশের আইন কে অমান্য করে দেশদ্রোহীর মত নেক্কার জনক কাজটি করতে মেম্বারের কি একটু ও বিবেকে বাঁধা দিলোনা?

(( মোশারফ ও মোবারক মেম্বারের মজার মজার কাহিনী নিয়ে আবারো আসছি ২য় পর্বেঃ))

নিরীহ মনির হোসেনের নামে লালমাই থানায় একটি মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে ঘর ছাড়ার মত কাজ আর অর্থমন্ত্রী আহম মোস্তফা কামালের সু-নাম নষ্ট করে সারা বাংলাদেশের মানুষের কাছে এই খলিলপুর গ্রাম, পেরুল দক্ষিণ ইয়নিয়ন ও লালমাই উপজেলাকে দুর্নাম করার মত অপরাধে, মোবারক মেম্বারের কি কোন বিচার হবেনা? কেউ কি নাই তার বিচার করার মত? এতই শক্তিশালী মোবারক মেম্বার? এটাই কি আসলে ডিজিটাল বাংলাদেশ?

অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আবদুর রহিম জানান, আমি সরকারি কাজে চট্রগ্রাম আছি, পরশুদিন অর্থাৎ, বুধবারে থানায় এসে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নিবো।

অন্যদিকে এই প্রতিবেদক কে ম্যানেজ করার পাঁয়তারায় ব্যস্ত হয়ে মরিয়া হয়ে আছেন অভিযোগের বাদী মোশারফ হোসেন তার সাথে থাকা ২/১ জন মানুষরূপী অমানুষ।

সারা জীবন আইনকে শ্রদ্ধা করে বাঁচতে চাওয়া মনির হোসেনের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বাংলাদেশের সবার নেক দৃষ্টি কামনা করা হলো। আর যেনো কোন মনির কে মিথ্যা হয়রানীর স্বীকার না হতে হয়।

#

     আরো পড়ুন:

পুরাতন খবরঃ

শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১