October 25, 2020, 2:05 pm

#
ব্রেকিং নিউজঃ
নোয়াখালীর চাটখিলে প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ, কিশোরের বিরুদ্ধে মামলা।শাহরাস্তিতে ছাত্রনেতা সিরাজ মিয়াজীর পূজা মন্ডপ পরিদর্শন।পেকুয়ায় কৃষকলীগ আহবায়কে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন। মিরসরাইয়ে ট্রাকের ধাক্কায় লেগুনার এক যাত্রী নিহত, আহত-৫।পটুয়াখালীতে বিরামহীন ভাবে মুষল ধারে বৃষ্টি।বাঙালিদের শারদীয় দুর্গা পূজা- উত্তম কুমার বিশ্বাস।কুমিল্লার লালমাইয়ে বিরামহীন ভাবে মুষলধারে বৃষ্টি ফলে জনসাধারণ গৃহ বন্ধি.পটুয়াখালীর আগুনমূখা নদীতে স্পীড বোট ডুবি, ৪ যাত্রী নিখোজ. ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত কোন কোন রীতিনীতি পালিত হয় দুর্গা আরাধনায়.গৌরীপুরে ৫৭ মন্ডপে দুর্গোৎসবকে রাঙাতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা.

রেলওয়ে খাবার বগিতে বিনা টিকেটে যাত্রী পারাপার, বাসি খাবার পরিবেশন।

এম এ কাদের অপুঃ

বাংলাদেশে রেলওয়ের কার্যক্রম শুরু হয় ব্রিটিশ শাসনামলে ১৮৬২ সালে। ঊনবিংশ শতাব্দিতে ইংল্যান্ডের বিভিন্ন রেল কোম্পানি ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রদেশে ছোট ছোট রেলপথ সেকশন চালু করতে থাকে। প্রথমদিকে শুধুমাত্র অর্থনৈতিক কাজের জন্য রেলপথ চালু করা হয়।  ইস্টার্ন বেঙ্গল  নামক কোম্পানি প্রথম বাংলাদেশে রেলপথ স্থাপন করে।  দর্শনা থেকে কুষ্টিয়া পর্যন্ত রেলপথ স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ রেল যুগে প্রবেশ করে।

বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর এদেশের রেলওয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাংলাদেশ রেলওয়ে, যা উত্তরাধিকার সূত্রে পায় ২,৮৫৮.৭৩ কিলোমিটার রেলপথ ও ৪৬৬টি স্টেশন। ৩ জুন ১৯৮২ সাল, রেলওয়ে বোর্ড বিলুপ্ত হয়ে এর কার্যক্রম যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের রেলওয়ে বিভাগের ওপর ন্যস্ত করা হয় এবং বিভাগের সচিব ডিরেক্টর জেনারেল পদপ্রাপ্ত হন।

১২ আগস্ট ১৯৯৫ সাল, বাংলাদেশ রেলওয়ের নীতিগত পরামর্শ দানের জন্য ৯ সদস্যবিশিষ্ট বাংলাদেশ রেলওয়ে অথরিটি (BRA) গঠন করা হয় এবং এর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী।

বঙ্গবন্ধু সেতু উন্মুক্তকরণের ফলে জামতৈল থেকে ইব্রাহিমাবাদ ব্রডগেজ রেলপথের মাধ্যমে পূর্ব-পশ্চিম রেল যোগাযোগ শুরু হয় ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন থেকে। সর্বশেষ ১৪ এপ্রিল ২০০৮ তারিখে মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেন চালুর ফলে ঢাকা এবং কলকাতার মধ্যে সরাসরি রেল যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়।

নানান বভহাবে নানান অভিযোগ থাকলেও চট্রগ্রাম থেকে সিলেটগামী আন্তঃনগর পাহাড়িকা এক্সপ্রেস (৭১৯) টেনটিতে সব সময় অনিয়মের অভিযোগ দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে। এই ট্রেনটির সামনে এবং পিছনে ২ টি খাবার বগি। আর এই খাবার বগিতে করে বিনা টিকেটে যাত্রী পারাপার করে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। এসব টাকার কিছু ভাগ রেলওয়ে কর্মকর্তাদের পকেটেও যাচ্ছে। অপরদিকে খাবার বগির ম্যানেজার নুরুল ইসলাম এই ভাবে যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে বিনা টিকেটে যাত্রী পারাপারের জমজমাট ব্যবসা করে আসছেন। তা দেখার কেউ নাই।

এতে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে রেলওয়ে মন্ত্রনালয়। ফাঁকি দিচ্ছে রাজস্ব, সরকারি ট্রেন হলেও পচা বাঁশি খাবার পরিবেশন করছেন বেসরকারি সংস্থা।

২০০৪-২০০৫ সালের শেষের দিকে বাংলাদেশে মোট ১৪০৬টি যাত্রীবাহী কোচ রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে ১০২৩৬টি ওয়াগন, যার মধ্যে ৭৩১০টি কাভার্ড, ১১১৫টি খোলা এবং ১৮১১টি বিশেষ শ্রেণীর ওয়াগন রয়েছে।

এসব ট্রেন গুলোতে দূর্নীতি রুখতে বাংলাদেশ সরকারের রেলপথ মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজনের পদক্ষেপ কামনা করেন সাধারণ জনগণ।

#

     আরো পড়ুন:

পুরাতন খবরঃ

শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১