November 15, 2019, 8:22 am

#

প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্প নিয়ে ঘুষ বানিজ্যে মেতে উঠেছেন লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের MTEPI আজাদ।

প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্প নিয়ে ঘুষ বানিজ্যে মেতে উঠেছেন লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের MTEPI আজাদ।

 
এম এ কাদের অপুঃ
 
বাংলাদেশের গ্রাম গঞ্জে চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতে নিজেই কমিউনিটি ক্লিনিক করার উদ্ধোগ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তারই ধারাবাহিকতায় লাকসাম উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় গড়ে তুলেন ১৬ টি কমিউনিটি ক্লিনিক। ১৬ টি ক্লিনিক থাকলেও বর্তমানে ১৫ জন দেখা শোনা করছেন এই ক্লিনিক গুলো।
এখানেই চলছে ঘুষ বানিজ্য, ঘুষ দিলেই পাচ্ছেন কর্মকর্তারা, আর ঘুষ না দিলে বেতন নিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে এই সকল কমিউনিটি ক্লিনিকের কর্মকর্তারা, ঘুষ না দিলে দিচ্ছে বিভিন্ন ধরনের হুমকি।
লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত ক্যাশিয়ারের দায়িত্বে থাকা সকল কর্মচারীদের বেতন সহ বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক চাবি কাঠি, নাম তার আজাদ হোসেন।
 
নিজেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর ভাইপো মনে করা এই আজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে একাধিক বার অভিযোগ করা হলেও কোন শক্তির কারনে সে এখনো একই দায়িত্বে বহাল আছেন তা দেখার কেউ নাই।
 
প্রধানমন্ত্রীর নিজের প্রকল্পে থেকে এমন ভাবে ঘুষ বানিজ্যে মেতে উঠেছেন অনেকেই জানলেও না জানার ভান করে আছেন কেনো তা রহস্যই রয়ে গেলো।
এইদিকে কুমিল্লা সিভিলসার্জনের কাছে কমিউনিটি ক্লিনিকের ১৫ জন্য সদস্য গত ০৭-১০-২০১৯ ইং তারিখে একটি লিখিত অভিযোগ করলেও কোন প্রতিকার পাচ্ছেন না এই ১৫ জন কর্মকর্তা।
 
কুমিল্লা জেলা সিভিল সার্জন মুজিবুর রহমান কে তার ব্যবহারিত নাম্বারে ফোন দিলে তিনি চট্রগ্রাম একটা মিটিংয়ে থাকায় পুরাপুরি বক্তব্য নেওয়া যায়নাই।
 
লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত ক্যাশিয়ার MTEPI আজাদ হোসেন জানান, আমি এই ব্যাপারে কিছুই বলতে চাইনা আপনি যদি কোন কিছু জানার ইচ্ছা থাকে আমার ইনচার্জ আবদুল আলী সাহেব সব কিছুই জানেন, আপনি ওনার সাথে কথা বলেন বলে লাইন কেটে দেয়।
 
লাকসাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইনচার্জ আবদুল আলী জানান, সিভিল সার্জনের অফিসে অভিযোগের পরিপেক্ষিতে এখন তদন্ত চলছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি এখন কিছুই বলতে চাচ্ছিনা।
 

#

     আরো পড়ুন:

পুরাতন খবরঃ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০