August 10, 2020, 10:53 am

#
ব্রেকিং নিউজঃ
মনোহরগঞ্জ আমতলী গ্রামের শাশুড়ী মিথ্যা অভিযোগ লাকসামে শাশুড়ীর মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদ জানালেন ভুক্তভোগী জামাতা।লাকসামে র‍্যাবের অভিযানে ভুয়া ডাক্তার কে মোবাইল কোটে সাজা ও ১টি প্রতিষ্ঠান সীলগালা.মাহবুব কবির মিলনকে ওএসডি করা আর সৎ কর্মকর্তাদের ’অশনি সংকেত’ দেখানো এককথা.লাকসামে কিশোরী মেয়ে কে ধর্ষনের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ করায় পরিবারের উপর হামলা.টেকনাফে সাংবাদিক মোস্তাফার চোখে মরিচের গুঁড়া দিয়ে নির্যাতন করেন ওসি প্রদীপ কুমার দাস!!পটুয়াখালীতে শ্রীশ্রী হরি-গুরুচাঁদ মন্দিরে মাসিক শান্তি সেবা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত.শিবগঞ্জে উপজেলা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক জিয়াউল হকনাসিরনগরে হতদরিদ্রের মাঝে রিং স্লাব বিতরণপটুয়াখালীতে পান চাষীরা হতাশায় দিন কাটাচ্ছে।নানান অপকর্মের দায়ে দৈনিক মানবধিকার ক্রাইম বার্তা থেকে প্রতিনিধি বরখাস্ত।।

নিজের প্রতিভা কে কাজে লাগিয়ে সৎ ভাবে থেকেও মানুষের হৃদয় জয় করা যায়ঃ এ্যাড, তানজিনা আক্তার।

নিজের প্রতিভা কে কাজে লাগিয়ে সৎ ভাবে থেকেও মানুষের হৃদয় জয় করা যায়ঃ এ্যাড, তানজিনা আক্তার।

এম এ কাদের অপু/আবদুর রহমানঃ 

সাবেক লাকসাম বর্তমান মনোহরগঞ্জ উপজেলা ৫ নং ঝলম দক্ষিণ ইউনিয়নের সাতপুকুরিয়া গ্রামের মরহুম এম এ কুদ্দুস (নায়েব সাহেব) এর ৪ কন্যা সন্তানের ৩য় কন্যা তানজিনা আক্তার।

১৯৭৫ সালে জন্ম গ্রহন করেন, বেড়ে উঠেন গ্রাম্য সংস্কৃতির সাথে নিজ গ্রামেই। শৈশবে তাহার সাহসীকতা ও প্রতিভার কারনে পিতা তাকে ছেলে সন্তান হিসাবেই দেখেছেন, পিতার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত খুব গনিষ্ট থেকেই অবলোপন করেছেন পিতার মানব প্রেম, সমাজ সেবা, পরউপকারের সকল কাজ কর্ম এবং শৈশবেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছেন পিতার মত সৎ ও আদর্শবান মানুষ হিসাবে মানুষের মন জয় করার।

১৯৯১ সালে নিজ বাড়ির পাশে মির্জাপুর সাতপুকুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, ১৯৯৩ সালে পার্শ্ববর্তি চিতোষী ডিগ্রী কলেজ থেকে এইএসসি, ১৯৯৫ সালে পয়ালগাছা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ পাশ করেন। এবং ১৯৯৯ সালে ঢাকার জাতীয় আইন কলেজ থেকে এলএলবি কোর্স সম্পন্ন করেন।

মূলত রাজনীতির হাতিগড়ি এলএলবি কোর্স করা কালিন সময় থেকে। তখন কোন পদ পদবীর তোয়াক্কা না করে জয় বাংলার শ্লোগানকে মনে ধারন করে বাংলার স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা দেশরত্ন নারী অগ্রযাত্রার মনসকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যক্রমকে ভালোবেসে, পিতার পর তার আদর্শকে লালন করতে থাকেন।

দীর্ঘ সময় পড়া লেখা, সংসার জীবন নিয়ে ব্যস্ত থাকার পর দুই পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জননী এ্যাডভোকেট তানজিনা আক্তার ২০০৮ সালে বার কাউন্সিলের সনদ প্রাপ্তির পর যোগদান করেন নিজ জেলা কুমিল্লা কোর্টে। সেই সাথে শুরু হয় এলাকার মানুষের সাথে মিশার সুযোগ, প্রত্যেক সপ্তাহ নিজের পিতার বাসভবনে আসলেই এলাকার অসহায় মানুষ ভিড় জমায় তাহার বাড়ির আঙ্গিনায়। অসহায় মানুষ গুলো স্বীকার করে আমরা আপার মাঝে ওনার পিতার স্মৃতি ফিরে পাই। তাই ওনি বাড়ি আসলেই দূরে সরাতে চাইলেও দূরে থাকতে পারিনা।

২০০৯-১০ সাল থেকে এলাকার সর্বসামাজিক কাজের সাথে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে যান, সেই থেকে রাজনীতিবিদ এ্যাডভোকেট তানজিনা আক্তারের পথ চলা শুরু হয়। নিজের প্রতিভা সততা আর যোগ্যতা কে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে চলেছেন নিজের স্বপ্নের ভালোবাসার স্থানে। জয় করে নিয়েছেন রাজনৈতিক নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের মন, সমাজের অসজায়, দুস্থ ও বিধবা সকলের নারীদের মুখে একটাই নাম আমাদের তানজিনা আপা। শুধু নিজের গ্রাম বা ওয়ার্ডে নয়, পুরো ইউনিয়ন জুড়েই সল্পসময়ে তিনি এই খ্যাতি অর্জন করেন।

ব্যক্তি জীবনে তিনি একজন গৃহিণী, উকিল, কবি ও সাহিত্যিক, লেখা লেখির প্রচাষ্টা ছাত্র জীবন থেকেই ছিলো। অধ্যবসায়ের প্রতি গভির মনযোগ থাকায়, তেমন ভাবে লেখা লেখি করতে পারেননি। বর্তমান সময়ে সর্বকাজের পাশাপাশি লেখালেখির কাজ ও চালিয়ে যাচ্ছেন, তার প্রথম কবিতার বউ “ প্রিয়তমেষু” প্রকাশিত হয় ১৯৯৯ সালে। ২০১২ সালে প্রকাশিত হয় উপন্যাশ “পড়ন্ত বিকেল”। সদ্য সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা কে উপসর্গ করে তার লিখিত “নারী এগিয়ে যাচ্ছে” প্রকাশিত হয়। যা তিনি নিজ হাতেই গনভবনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেন।

রোটারি ক্লাব কুমিল্লার গর্বিত একজন সদস্য। এ ছাড়া প্রগতিশীল আইনজীবী ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কুমিল্লা বার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামীলীগ, সভাপতি মহিলা আওয়ামীলীগ মনোহরগঞ্জ উপজেলা, আইন বিষয়ক সম্পাদক মনোহরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগ এবং ২০১৭ সালে কুমিল্লা জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা আসনে লাকসাম, মনোহরগঞ্জ ও বরুড়া এলাকার সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হন।

একান্ত আলাপচারিতায় এ্যাডভোকেট তানজিনা আক্তার জানান, আমি আমার মত, কাউকে তোষামুদি করতে পছন্দ করিনা, আমার আদর্শ আমার পিতা, পিতার অবর্তমানে লাকসাম-মনোহরগঞ্জের গর্ব স্বাধীনতার পরবর্তি সময়ে একমাত্র মন্ত্রী যিনি লাকসাম-মনোহরগঞ্জের অবহেলিত মানুষকে নিয়ে চিন্তিত, বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী আলহাজ্ব মোঃ তাজুল ইসলাম। ওনার নির্দেশনায় নিজের কর্ম ও সাংসারিক ব্যস্ততার মাঝেও এলাকার মানুষকে সময় দিতে শিখেছি, অনুপ্রেরণা পেয়েছি, এই জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই। পরিশেষে লাকসাম ও মনোহরগঞ্জের আপমজনতার দীর্ঘায়ু কামনা করি ও সকলের কাছে আমার জন্য দোয়া কামনা করি।

#

     আরো পড়ুন:

পুরাতন খবরঃ

শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১