November 15, 2019, 7:30 am

#

চট্টগ্রাম বন্দর দুর্নীতিমুক্তের আওতার অভিযানে ১২ নভেম্বর গণশুনানি।

চট্টগ্রাম বন্দর দুর্নীতিমুক্তের আওতার অভিযানে ১২ নভেম্বর গণশুনানি।

মাহিন উদ্দিন মিয়াজিঃ চট্টগ্রাম

এবার আওয়াজ তুলুন,চট্টগ্রাম বন্দরে সেবা পেতে হয়রানি বা দুর্নীতির শিকার হলে গণশুনানিতে আপনার অভিযোগ তুলে ধরুন। তথ্য পাওয়া আমার আইনি অধিকার, সেবা পাওয়া আমার নাগরিক অধিকার, দুর্নীতিমুক্ত দেশ আমার সাংবিধানিক অধিকার।  এই স্লোগানকে সামনে রেখে বন্দরকে দুর্নীতিমুক্তের আওতায় আনার উদ্যোগে (১২ নভেম্বর ২০১৯) মঙ্গলবার, সকাল ৯.০০-১৭০০ ঘটিকায এই কার্যক্রম শুরুহবে এতে বন্দর সংক্রান্ত সকল অভিযোগ আপনিও তুলে ধরতে পারেন।

গণশুনানিতে অংশগ্রহণের জন্য উল্লেখিত ব্যাক্তিদের সাথে ১১/১১/২০১৯ তারিখ বিকাল ৫.০০ ঘটিকার মধ্যে যোগাযোগ করতে পারবেন। জনাব সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম (কমু) সাধারণ সম্পাদক মহানগর দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি, চট্টগ্রাম মোবাইলঃ- ০১৭১১-৭২০০৬৯,  জনাব মোঃ আবু সাঈদ সেলিম  (সদস্য)  মহানগর দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি, চট্টগ্রাম  মোবাইলঃ- ০১৭১৪-০৪০৩৭৬,  জনাব নুরুল ইসলাম ( উপসহকারী পরিচালক)  দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যলায়,চট্টগ্রাম  মোবাইলঃ- ০১৮১৮-৯৯৩৮৮১, জনাব মোঃ হোসাইন শরীফ ( উপসহকারী পরিচালক)  দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত জেলা কার্যলায়,চট্টগ্রাম মোবাইলঃ- ০১৮১৩-৯৩৬৭৫৬।

এবার চট্টগ্রাম বন্দরের দুর্নীতি জালিয়াতির অভিযোগ নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দেশের প্রধান এ সমুদ্রবন্দরে পণ্য খালাসে সীমাহীন দুর্নীতি, অনিয়মের অভিযোগ করে আসছেন আমদানিকারকরা। পণ্য রফতানিকালেও জালিয়াতির ঘটনা ঘটছে অহরহ। এছাড়া অনেক অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী বন্দরকে ব্যবহার করে রাতারাতি কোটিপতি হয়েছেন। তাদের বিষয়েও অনুসন্ধান করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর বিষয়ক দুর্নীতি দমনের জন্য চট্টগ্রাম কাস্টম হাউজ ও বন্দরে দুর্নীতি দমনের জন্য আগামী ১২ নভেম্বর গণশুনানির প্রস্তুতি উপলক্ষে দুদক কর্মকর্তাদের লিফলেট বিতরনের জন্য সমন্বয় ৫ টিম বন্দর ও কাস্টমস হাউজে কর্মরত আছে।

কাস্টমস হাউজে লিফলেট প্রচারনায় চট্টগ্রাম ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট এর কর্মকর্তাদের পক্ষে বন্দর বিষয় নানান সমস্যা কথা উল্লেখ করে বলেন। আমাদের ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট এর কর্মকর্তারা যখন কর্মক্ষেত্রের শুরু থেকে ১৫ হতে ২০ জন বন্দর ট্রাফিক ও বন্দর সিকিউরিটি টেবিল ঘুরে একটি ফাইল সঠিকভাবে পাওয়ার পর পণ্য খালাস দেওয়া হয়।

চট্টগ্রাম ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট এর কর্মকর্তাদের অভিযোগ তারা নানান সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। লিফলেট বিতরন উপলক্ষে দুদকের সম্মুখীন অভিযোগ তুলে ধরে বলেন, বন্দর ওয়ান স্টাফে একটি ফাইল যখন ভেরিফাইর জন্য সাবমিট করা হয়, নানান অনিয়মের মধ্য দিয়ে তারা আমাদের ডকুমেন্ট সম্পূর্ণ করে।

দুদক কর্মকর্তাদের পক্ষে তাদের সহকারী পরিচালক  মোঃ হোসাইন শরীফ বলেন  যারা আমাদের কাছে বন্দর সংক্রান্ত নানান অভিযোগ করেছেন সকলকে ১২ নভেম্বর শহীদ মোঃ ফজলুর রহমান মুন্সী অডিটোরিয়ামে উপস্থিত হয়ে গণশুনানির মধ্য দিয়ে জনাব এ,এফ,এম আমিনুল ইসলাম মাননীয় কমিশনার(তদন্ত) দুর্নীতি দমন কমিশন ও বন্দর চেয়ারম্যান সহ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে সকল সমস্যা সমাধানের জন্য কাজ করবেন। যেই অপরাধী হউক তাঁকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া হবে। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে দেশে দুর্নীতি মুক্তের অভিযান চলমান থাকবে।

#

     আরো পড়ুন:

পুরাতন খবরঃ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০