February 29, 2020, 10:59 am

#
ব্রেকিং নিউজঃ
হ্যালো বিকাশ কাস্টমার কেয়ার থেকে বলছি.. বিকাশের মুল প্রতারক কামাল ফের আটক!! পান চাষীদের হতাশায় দিন কাটছেবিএনপি’র প্রযুক্তি দল আয়োজিত “অবরুদ্ধ গণতন্ত্র” বিপন্ন স্বাধীনতা ও আমাদের করণীয় শীর্ষক” আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।মোদি বাংলাদেশে আসলে রক্ত গঙ্গা বয়ে যাবে: ভিপি নুরকুমিল্লায় র‍্যাবের হাতে ভুঃ র‍্যাব আটক!!কুমিল্লায় চেয়ারম্যান’র বিরুদ্ধে ৪০দিনের কর্মসূচীর টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তে (দুদক) ও জেলা প্রশাসন।থানায় আপনার অধিকার।ধুলোয় ভরা লাকসাম, দেখার কেউ নাই।বগুড়ার শিবগঞ্জে ধান ক্ষেত থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার।প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাত পেলেন না অপু উকিল, গণভবনে প্রবেশ হতে পারেন নিষিদ্ধ!!

আজহারীকে কেন গ্রেফতার করা হয়নি? সংসদে মেনন!!

ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, আজহারী সম্পর্কে ধর্মমন্ত্রী বলেছেন তিনি জামায়াতের পক্ষ হয়ে কাজ করছেন। আইসিটি আইনে তাকে গ্রেফতার করা হয়নি বরং তাকে নির্বিঘ্নে মালয়েশিয়ায় চলে যেতে দেয়া হয়েছে। আর শরিয়ত বাউলকে আইসিটি আইনে গ্রেফতার করে জেলখানায় রাখা হয়েছে।

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ সম্পর্কে আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

মেনন বলেন, আমাদের দেশে শরিয়ত ও মারফতের দ্বন্দ্ব অনেক পুরাতন। এখন সাঈদী-পাকিস্তানি ও জামাতিদের ওহাবীবাদের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত করতে এ ধরনের দ্বন্দ্বের সম্পর্কে যখন রাষ্ট্রীয় আইন ব্যবহার করা হয়, তখন উদ্বেগের বিষয়। রাষ্ট্র কী অতীতের মতো আবার মৌলবাদকে পৃষ্টপোষকতা দিচ্ছে? না হলে আজহারী দেশ ছেড়ে যেতে পারে না। খতমে নবুয়ত নতুন করে হুঙ্কার ছাড়তে পারে না। হেফাজত সমর্থন প্রত্যাহারের হুমকি দিতে পারে না। এরাই কদিন পর পাকিস্তানি কায়দায় ব্লাসফেমি আইন প্রণয়ন করতে বলবে, যেমন এই সংসদেই যুদ্ধাপরাধী নিজামী সেই প্রস্তাব তুলেছিলেন।

তিনি আরো বলেন, আমি শুরুতেই বলেছি বঙ্গবন্ধু এদেশকে ধর্মনিরপেক্ষতার মূল নীতি উপহার দিয়েছিলেন। ধর্ম নিয়ে রাজনীতি, ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজনের বিরুদ্ধে তিনি কেবল সোচ্চার ছিলেন না, বাস্তবে তার অনুসরণ করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিলে আইন তার ব্যবস্থা নেবে। আমি এই সংসদে স্পিকারের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে ইউটিউবে প্রচারিত ধর্মীয় উম্মাদনা সৃষ্টি ও বিভাজনের কিছু বক্তব্যের পেন-ড্রাইভ দিয়েছিলাম। সেসবের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে জানা নেই। গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে, অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর আগেই তারা মরিয়া আক্রমণ করবে। ধর্মবাদী তো বটেই, ওই ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে ডান ও তথাকথিত বামও এক হচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে বাঙালি জাতি পরিচয়ের ব্যাপারে তিনি এতটুকু দ্বিধায় ভোগেন নেই। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের নামে যে ধর্মীয় আবরণ দিয়ে তাকে পাকিস্তানি আদলে ফিরিয়ে নেয়ার চেষ্টা হয়েছিল, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে তার ছেদ ঘটানো হয়েছে। কিন্তু সেই প্রচেষ্টার অবসান হয় নেই। রাষ্ট্রীয় প্রচারে, আমাদের আচার আচরণে, বেশ-ভূষার পরিবর্তনে তার রেশ আমরা দেখি। ফেসবুক, ইউটিউবের নিত্য প্রচারে সেই মনমানসিকতাকে উসকে দেয়া হচ্ছে প্রতিদিন। ভাষা আন্দোলন যেমন আমাদের জাতিসত্তাকে নির্দিষ্ট করেছে, তেমনি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা বঙ্গবন্ধুও নির্দিষ্ট করে বলেছিলেন, ‘ফাঁসির মঞ্চে যাওয়ার সময় আমি বলব আমি বাঙালি, বাঙলা আমার দেশ, বাংলা আমার ভাষা’।

 

সূত্রঃ সময়ের কন্ঠস্বর!

#

     আরো পড়ুন:

পুরাতন খবরঃ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯